WW2 - OverSimplified (Part 1)

WW2 - OverSimplified (Part 1)

SUBTITLE'S INFO:

Language: Bengali

Type: Robot

Number of phrases: 409

Number of words: 2642

Number of symbols: 13713

DOWNLOAD SUBTITLES:

DOWNLOAD AUDIO AND VIDEO:

SUBTITLES:

Subtitles generated by robot
00:00
এই ভিডিও টি স্কিলশেয়ারের সৌজন্যে তৈরি হয়েছে চার্চহিল বহু গুণ সম্পন্ন ব্যক্তি ছিলেন তিনি একজন শিল্পী, প্রজাপতির ব্যাপারে উৎসাহী এবং তার এলিয়েনদের বিষয়ে একটি অপ্রকাশিত পাণ্ডুলিপি ছিল বস্তুত তিনি একজন জ্ঞানপিপাসু ব্যক্তি ছিলেন। হয়ত তিনি তার কম্পিউটার টা ভর্তি করে স্কিলশেয়ারে প্রবেশ করতে পারতেন এটা অনলাইন পড়াশোনার একটি স্থান যাতে ১৯,০০০ও বেশি ডিজাইন ব্যবসা, প্রযুক্তি ও আরো অনেক বিষয়ে ক্লাস আছে সম্ভবত তিনি ফ্যাশন ডিজাইনার এর সাইড ক্যারিয়ার গড়তে চাচ্ছিলেন কিন্তু জানতেন না কোথা থেকে শুরু করবেন স্কিলশেয়ারে তিনি ফ্যাশন ডিজাইন ও পোশাক তৈরি বিষয়ে বিভিন্ন কোর্স পেতেন অথবা তিনি যদি অ্যাপ ডিজাইন শিখতে চাইতেন অথবা ফটোগ্রাফি উন্নত করতে চাইতেন অথবা শুধু একটা ভালো কেসাডিয়া বানানোও জানতে পারতেন তিনি এসব সম্পর্কের কোর্স সহ আরো অনেক কিছু পেতেন স্কিলশেয়ারে স্কিলশেয়ার আপনাকে উন্নত মানের ক্লাস আসল দক্ষরা যারা তাদের বিষয়ে কাজ করছে তাদের দ্বারা শিখানো হয় আমি এ্যনিমেশন নিয়ে বেশি কাজ করি এবং আমি বিস্মিত হয়ে গেছি যে আমার জন্যে এত অতি উপকারী কোর্স রয়েছে যেমন এই ক্লাসটি যা ভেক্টর আর্টের ব্যাপারে টিপস এ ভর্তি! অথবা এটা যা ক্যারেক্টারের হাটার পদ্ধতি নিয়ে বাৎসরিক সাবস্ক্রিপশন এর জন্যে স্কিলশেয়ার মাসিক $10 মাত্র। এবং আপনি যদি প্রথম বার ব্যবহার করতে চান তাহলে আমার অভারসিম্পলিফাইড এর দর্শকদের জন্য একটি অফার আছে প্রথম 1000 জন যারা এই লিংক ব্যবহার করবেন
01:04
যা ডিস্ক্রিপশনে পাওয়া যাবে তারা তাদের প্রথম ২ মাস মাত্র ৯৯ সেন্টে স্কিলশেয়ার ব্যবহার করতে পারবেন অবশ্যই ডিস্ক্রিপশনের লিংক ব্যবহার করবেন ও আজকেই নতুন কিছু শিখুন এখন আর কথা না বাড়িয়ে, এটা ১৯০২ সাল বেনিতো মুসোলিনি নামে এক তরুণ সেনাবাহিনীতে কাজ করা থেকে বাঁচতে ইটালী থেকে সুইজারল্যান্ড চলে যায় তিনি সমাজতন্ত্রে আকৃষ্ট হন ব্যবসা সমিতিতে কাজ করা, সমাজতান্ত্রিক পত্রিকায় লেখা লেখালেখি ইউরোপীয় রাজাদের নির্মম উচ্ছেদের ওকালতিতে করতেন একেবারে হুলস্থুল কান্ড এ তাকে সুইস পুলিশের সাথে অসুবিধের মধ্যে ফেলে দেয় তাই তিনি গ্ৰেফতার হন ইটালিতে ফেরত ও মুক্তিলাভ পেয়ে সুইজারল্যান্ডে ফিরে আবার গ্ৰেফতার হন আবার ইটালিতে ফেরত এসে তার সেনাবাহিনীর দায়িত্ব পালন করেন যা তিনি পূর্বে এড়াতে চেয়েছিলেন তারপর অল্প সময়ের এলিমেন্টারি স্কুলের শিক্ষক হিসেবে থাকার পর তিনি অবশেষে একজন কট্টর সমাজতান্ত্রিক হিসেবে কাজ করা শুরু করেন তার বক্তৃতা ও সাংবাদিকতার গুণ তাকে ইটালিয়ানদের মধ্যে প্রসিদ্ধ করে তোলে তিনি যুদ্ধবিরোধী ছিলেন তাই যখন ইটালী ১৯১০ সালে লিবিয়ায় উপনিবেশ স্থাপন করল তিনি বিক্ষোভ করেন এবং জেলে যান অতঃপর প্রথম বিশ্বযুদ্ধ এল তারপর আবারো ইটালির অংশগ্রহণের বিপক্ষে আন্দোলন করেন কিন্তু তিনি চিন্তা করলেন ' একটু দাঁড়াও এই যুদ্ধ তো ইউরোপীয় সম্রাটদের উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় সমাজতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করবে এবং চারিদিকে সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন ছড়িয়ে দিবে এবং হঠাৎ তিনি যুদ্ধের পক্ষাবলম্বন করেন
02:08
তবে তার সমাজতান্ত্রিক সহকারীরা তার এই নতুন যুদ্ধের পক্ষাবলম্বন করাটাকে পছন্দ করেনি তাই তারা তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে দেয় তো তারপর তিনি বললেন, জানো কি? আমি সমাজতন্ত্র তে হতাশ হয়ে গেছি আমাদের নতুন কিছু প্রয়োজন এমন না যে বিভেদ-বিভাজনের দ্বারা আমাদের তছনছ করবে বরং এমন যা আমাদের জাতীয়তার দ্বারা একথা সৃষ্টি করবে আমরা ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল জয় করে সমগ্ৰ ইতালীয় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করব রোমান সাম্রাজ্যের দিনের মতোই আমি এটাকে ফ্যাশিজমো এবং এটা ইতালীয় জাতিকে বড়ত্বের দিকে নিয়ে যাবে সব ঠিকাছে মুসোলিনী সাহেব, কিন্তু আমি আপনাকে কিরকম চুল কেটে দেব আচ্ছা, পুরো টাক করে দা সঙ্গীত ইতালী প্রথম বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ীদের দলে ছিল এবং তারা ভেবেছিল যে এর থেকে তারা অনেক লাভবান হবে তবে শেষপর্যন্ত তারা খুবই কম পায় ও তারা নিজেদের প্রতারিত মনে করে তারও উপরে একটা খারাপ অর্থনীতি ও দূর্বলতা শাসনব্যবস্থা দ্বারা বুঝায় যে তারা কিছুটা অসন্তুষ্ট ছিল তাই যখন মুসোলিনী এল এবং বলল সে সবকিছু ঠিক করবে তার ফ্যাসিস্ট সরকার অনেক সমর্থন পায় ১৯২২ সালে তিনি রাজার কাছে যান এবং বলেন আমাকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়ে দাও নাহলে আমি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী বানাবো আর রাজা বললেন তুমি আর কোন বাহিনী? এই বাহিনী ওহ্ আচ্ছা ঠিকাছে তাহলে..... অতঃপর তিনি একটি একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন তার মধ্যখানে তিনি ছিলেন ইউরোপ তার প্রথম ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শাসক পেল তারপর জার্মানি
03:20
জার্মানি পরাজিতদের দলে ছিল এবং তারা ভারসাইর চূক্তির দ্বারা একেবারে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় তারা ভূমি হারায় রাইনল্যান্ডকে সেনাবাহিনী মুক্ত করতে হয় সেনাবাহিনী মাত্র ১,০০,০০০ নামিয়ে আনতে হয় বিমানবাহিনী থাকতে পারবেনা মিত্রদের একটা বিশাল পরিমাণ টাকা দিতে হবে যা তাদের ছিল না এবং একটি নতুন নিয়ম চালু হয় যে সব ইংরেজদের এই অধিকার থাকবে যে, তারা বার্লিনের মাঝখানে যাবে যে কোন জার্মানকে ধরবে এবং তাকে আচ্ছামত চড়াবে আমি শেষেরটা বানিয়েছি কিন্তু এটা আপনাকে একটা ধারণা দেয় যে জার্মানদের এটা কেমন লাগতো তারও উপরে একটা খারাপ অর্থনীতি ও দূর্বল শাসনব্যবস্থা অর্থাৎ তখন একটা বেঁটে রাগী ব্যক্তি যার একটা হাস্যকর গোঁফ ছিল এল ও বলল সে সবকিছু ঠিক করবে জার্মানরা এটা পছন্দ করে হিটলার প্রথম বিশ্বযুদ্ধে একজন সৈনিক ছিল আর অত্যন্ত দেশপ্রেমিক ও কেউ তার থেকে বেশি জার্মানির অপদস্থ তার জন্য রাগ ছিলোনা তিনি একটি নতুন রাজনৈতিক দল শুরু করেন এবং ১৯২৩ সালে তিনি ও তার সমর্থকরা মিলে মিউনিখে যাত্রা করতে চেষ্টা করেন কিন্তু তিনি গ্ৰেফতার হন তবে তার প্রসিদ্ধতা বৃদ্ধি পেতেই থাকে এবং ১৯৩৩সালে প্রেসিডেন্ট তাকে চ্যান্সেলর বানান তিনি মনে করতেন যে তিনিই জার্মানির বিশেষ নির্ধারিত ত্রাণকর্তা এবং তিনি একেবারে বাঁধাহীন হয়ে একটি একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন যার মধ্যখানে তিনি ছিলেন ইউরোপ ২য় ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচারী শাসক পেল হিটলার ও মুসোলিনীর অনেক একই ধরনের চিন্তা ছিল কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো তাদের একই শত্রু ছিল
04:22
আর তারা মিলতে শুরু করল আর কেউ বন্ধু হতে চাও? ফ্রান্কো? হবে না? সত্যিই তো?? আমি হব! কে সে? এটা হচ্ছে জাপান এবং তারা উত্তর চীন দখল করে ফেলেছে এখন একটু পিছে যাওয়া যাক জাপান তাদেরকে ২০০ বছরের বেশি সময় ধরে পুরো পৃথিবী থেকে আলাদা করে রেখেছিল আমেরিকানদের আগমন পর্যন্ত যখন তারা এসে বলল তোমরা আমাদের সাথে ব্যবসা করবে এবং তোমাদের এটা পছন্দও হবে তারপর পশ্চিমা শক্তিরা কিছু অসম চুক্তি আরোপ করে অর্থ হল জাপানের অর্থনীতি খুব খারাপ হয়ে যায় আর তাদের প্রাকৃতিক সম্পদ ও ছিলো না তাই তারা চিন্তা করল কিছু নিতে তারা চীনের সঙ্গে যুদ্ধ করে কোরিয়ার ওপর কিছু কর্তৃত্ব পায় এবং তারা অনেক চীনের মালপত্র নিয়ে নেয় কিন্তু পশ্চিমারা এসে বলল এ্যাই!! এটা বাদ দাও যেহেতু জাপান পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে জিততে পারবেনা তাই তারা বলল আচ্ছা মনে হয় আমাদের এখন ঘরে চলে যেতে হবে কিন্তু এক মূহুর্ত দাঁড়াও তোমরা কি করছ? দূর্বলতা চীনের সুবিধা গ্ৰহন করছি এবং প্রভাব বিস্তার করছি কিন্তু আমি তো তাদেরকে দূর্বলতা করেছি আমরা তা জানি আর তোমরা আমাকে কিছুই নিতে দিচ্ছ না হ্যাঁ আমরা তা জানি এটা তো অন্যায় মনে হচ্ছে আমরা এটা মনে করিনা আচ্ছা পরে দেখা হবে তো জাপান ভাবল যাকগে সব আর রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে জড়ালো এবং সবাই চমকে আসলেই জিতলেন তারপর তারা কোরিয়া পুরো দখল করে নেয় কিন্তু তারা সেখানেই থামেনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তারা জার্মানির এশীয় কলোনী ও দ্বীপ গুলো দখল করে নেয় অতঃপর একটা ঘটনা যা সম্ভবত জাপানি বাহিনীর দ্বারা মঞ্চস্থ হয়েছিল একটি বোমা মাঞ্চুরিয়ায় জাপানি এক ট্রেন উড়ায়ে দেয়
05:26
যা তাদের আক্রমণ করে দখল করার একটা অজুহাত দেয় তো এখন অবস্থা এই যে, নাৎসি জার্মানি, ফ্যাসিস্ট ইটালী ও জাপান সকলেই নিজেদের জাতিগতভাবে শ্রেষ্ঠ মনে করে সবাই মিত্রদের প্রতি কুধারণা রাখে এবং সবাই সামরিককরন ও আরো জিনিস নিতে চায় এবং তারা করল ! জার্মানির দ্বারা শুরু করা যাক হিটলার ভারসাইর চূক্তি অপছন্দ করত এবং এখন সে তা পূর্বাবস্থায় ফেরানো শুরু করে চুক্তির পুরো বিপরীতে সর্বপ্রথম লুফটওয়াফী স্কোয়াড্রন তৈরি করা হয় সেনাবাহিনীতে নিবন্ধন করা শুরু হয় এবং সে তার সেনাবাহিনীকে সুসজ্জিত করে তোলেন মিত্ররা কিছুই করিনি অতঃপর হিটলার তার বাহিনীকে সৈন্য নিষিদ্ধ রাইনল্যান্ডে পাঠিয়ে দেন এই বলে যে, যদি মিত্ররা এসে পড়ে তাহলে তৎক্ষণাৎ ফিরে আসবে মিত্ররা কিছুই করল না এখন তার সেনাবাহিনী শক্তিশালী হয়ে যাওয়ায় তিনি ২য় পদক্ষেপ নিতে পারেন তিনি দ্রুত আর্য জনসংখ্যা বৃদ্ধি করতে চাচ্ছিলেন এবং এজন্য তার দরকার 'লেবেন্সরাম' অথবা সহজ কথায় তার পুরো পৃথিবী দখল করা প্রয়োজন কিন্তু এখনের জন্য ইউরোপের বেশ কিছু অংশ হলেই চলবে এবং তিনি তার প্রতিবেশী দেশগুলোর দিকে তাকাতে শুরু করেন মিত্ররা অবশেষে চিন্তিত হতে শুরু করে তাই তারা প্রায় অকেজো একটি কুটনৈতিক কৌশল অবলম্বন করে যা কিছুটা এরকম ছিল হিটলার বলত, আমার ওটা চাই আর মিত্ররা বলত, না তুমি এটা পাবে- বিকালে তুমি এটা নিয়ে পারো কিন্তু আর না আমার ঐটা চাই এবং পুনরাবৃত্তি! ১৯৩৮ সালে হিটলারের বাহিনী অস্ট্রিয়ায় যুদ্ধযাত্রা করে
06:28
এবং তা দখল করে নেয় বাঁধাহীনভাবে বুম আর এখন এটা জার্মানি তারপর তিনি সুদেতেনল্যান্ডের দাবি করেন চেকোস্লোভাকিয়ার একটি স্থান যেখানে অনেক জাতিগত জার্মানরা ছিল মিত্ররা মিউনিখে হিটলারের সঙ্গে বৈঠক করে দেখো আমরা তোমাকে যা- একটু দাঁড়াও এই বৈঠকটি আমার এলাকা নিয়ে তাই আমারও এইখানে আসা উচিত না? যাইহোক, আমরা তোমার যা চাই তাই দেব সত্যিই? হ্যাঁ এরকমভাবেই? হ্যাঁ তোমরা কি চাও শুধু এই কাগজে সই করে অঙ্গীকার করো যে তুমি বাকি চেকোস্লোভাকিয়া আক্রমণ করবেনা আচ্ছা অতঃপর চ্যাম্বারলেইন দেশে ফিরলেন বিজয়ী বেশে তার সেই সইকৃত কাগজটা দেখাতে দেখাতে এবং বিপদ সরে গেছে ঘোষণা করলেন ও বিশ্বশান্তি চলতে থাকবে বলে আর আমরা তার সম্মানার্থে চ্যাম্বারলেইনের একটি মূর্তি নির্মাণ করি এবং প্রতি ৩০শে সেপ্টেম্বর চ্যাম্বারলেইন দিবস-- হিটলার বাকি চেকোস্লোভাকিয়া আক্রমণ করছে কী!? সে বাকি চেকোস্লোভাকিয়া আক্রমণ করছে ওহ তুমি আমাকে মিথ্যা বলেছ তা তুমি আমার কাছে আর কি প্রত্যাশা কর??? আমি হিটলার পিছিয়ে পড়তে না চাওয়ায় মুসোলিনী ও কাজে নামতে চাচ্ছিলেন তিনি নিজে চিন্তা করলেন এখনও উপনিবেশকৃত হয়নি এমন কোন জাতি আছে কি কোথাও!? যা খুব অনুন্নত এমন যে তারা আমাদের ট্যাংকের বিরুদ্ধে নিজেদের তীর-ধনুক ও কাঠের বর্শা দিয়ে রক্ষা করবে ওহ্ এমন আছে একটা দেশ?? উত্তম!! এবং তিনি তা নিয়ে নিলেন ইটালী আড্রিয়াটিক সাগরের প্রবেশপথের কর্তৃত্ব নিয়ে চাচ্ছিল তাই তারা আলবেনিয়া দখল করে তারপর জাপানি বাহিনীর দ্বারা মঞ্চস্থ হতে পারে
07:38
চীন ও জাপানি বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি হয় মার্কো পোলো সেতুতে এবং জাপানিরা আরেকবার চীনের উপর আক্রমণ করে তারা বেইজিং ও শাংহাই পার করে এবং তারপর ইয়াংসি উপত্যকা পার হয়ে চীনের তৎকালীন রাজধানী নানকিংয়ে আসে এখানে চীনা মানুষের বিরুদ্ধে করা জাপানের নির্মম হত্যাকাণ্ডের নিকৃষ্টতম ঘটনা পরিলক্ষিত হয় ইউরোপে জার্মানি ও ইটালী স্টিলের চুক্তির দ্বারা তাদের সম্পর্ক অফিসিয়াল করে তারপর হিটলার তার দৃষ্টি পোল্যান্ডের দিকে দেয় সে পোলিশ করিডোরকে অপছন্দ করত কারণ তা জার্মানিকে দুইভাগে ভাগ করত এই অবস্থায় মিত্রদের আসলেই দৃষ্টি দিতে হল এবং তারা তাকে সতর্ক করল যে পোল্যান্ডে আক্রমণ করার অর্থ যুদ্ব! হিটলার পূর্বের দিকে অগ্ৰসর হতে চাচ্ছিল কিন্তু সে দুই দিকে যুদ্বে জড়াতে চাইনি তাই সে স্ট্যালিনের সাথে একটা চুক্তি করল এই বলে যে, কেমন হয় আমরা পোল্যান্ড দুইভাগে ভাগ করে নিই? এবং আমি অবশ্যই ভবিষ্যতে কখনো তোমার সাথে প্রতারণা করা থেকে বিরত থাকব না ভালো.... শুনাচ্ছে এই নতুন মিত্ররা পশ্চিমাদের অবাক করে দেয় ১৯৩৯ সালের ১লা সেপ্টেম্বর জার্মান সেনারা পোল্যান্ডে প্রবেশ করল এবং ব্রিটেন ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করল পোলিশরা অনেক লড়াই করেছিল কিন্তু তাদের উপর দুইটা দানব ভেঙে পড়ায় কোনভাবেই তারা সমান ছিলনা অতঃপর এমন একটা সময় এলো যাকে ফোনি যুদ্ধ বলে যেখানে সবাই শুধু বসে থাকে বেশি কিছু করে না
08:47
ফ্রেঞ্চরা সার ভূমিতে আক্রমণ করেছিল তবে তারা শুধু রক্ষণশীল পজিশন ধরে রেখেছিল আর তারপর তারা ভাবল এখন ফিরে আসা যাক ও এটাকে দিন শেষ বলা হোক ফ্রান্সের ব্যাপারে কথা বললে ফ্রেঞ্চরা তাদের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয় নিয়ে তখনও খুব খুশি ছিল এবং তারা সেইখান থেকে বেশী দূরে যেতে পারিনি তারা তখনো ঘোড়া ব্যবহার করত তারা মোটরসাইকেল দ্বারা বার্তা পাঠাতো রেডিওর পরিবর্তে সেনাপ্রধান হতে নির্দেশনা গুলো সাধারনত খুব অস্পষ্ট হত এবং বাহিনী মাঝেমধ্যে পরিদর্শিত হতো তারা জার্মানির বর্ডার বরাবর একটি প্রতিরক্ষামূলক লাইন বানিয়েছিল কিন্তু এটাকে পুরো চ্যানেল পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে বাধা দেয়নি তারা জার্মানির বিরুদ্ধে আর্টিলেরী হামলা চালাতো না এই ভয়ে যে তাদের উল্টো জবাব দেয়া হবে যুদ্ধে তারা শত্রুকে আক্রমণ করতে চাইত না এবং প্রথমে যুক্তরাজ্য ভালো ছিলোনা চ্যাম্বারলেইন এখনো বোকার মত মনে করছিল যে যুদ্ধটা কুটনৈতিকভাবে অবসান ঘটানো যাবে বোম্বিংয়ের পরিবর্তে আরএএফ জার্মান শহরের উপর প্রোপাগান্ডা লিফলেট ফেলায় এটা এরকম যেন একজন এয়ার মার্শাল মহাদেশে টয়লেট পেপার ছড়ানো ছাড়া আর কিছুই করেনি যুদ্ধের সময়টুকুতে তারা ফ্রান্সেও ২ লাখ সৈন্য প্রেরণ করে . যেখানে ফ্রান্স লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রস্তুত আছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স উভয়েই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পুনরাবৃত্তি এড়াতে চেয়েছিল তাই তারা যুদ্ধকে যথাসম্ভব দূরে রাখতে চাচ্ছিল তাই তারা উত্তরে নরওয়ের দিকে তাকালো নিরপেক্ষ সুইডেন লৌহ আকরিক জার্মানিতে রপ্তানি করছিল নিরপেক্ষ নরওয়ের মধ্য দিয়ে তাই মিত্ররা তাদের জিজ্ঞেস করল যে তারা দয়া করে জার্মানিতে লোহা রপ্তানি করা বন্ধ করতে পারবে কিনা?
09:51
কিন্তু এই আবেদনটি নাকচ করা হয় তারপর সোভিয়েত ইউনিয়ন ফিনল্যান্ড আক্রমণ করল তো মিত্ররা বলল, কেমন হয় যদি আমরা নরওয়েতে সৈন্য নামিয়ে সুইডেন হয়ে প্রিয় বন্ধু ফিনল্যান্ডের সাহায্যে যাই? আর সম্ভবত পথিমধ্যে তোমাদের সব লোহার কারখানা গুলোর উপর কর্তৃত্ব বিস্তার করে নিব কিন্তু নরওয়ে ও সুইডেন তারপরও না বলল তাই যুক্তরাজ্য নরওয়ের জলসীমায় মাইন ভরে দিল যাতে পরিবাহী জাহাজগুলোকে আন্তর্জাতিক জলসীমায় রাখা যায় এবং তারা ঐ জায়গায় পাওয়া এক জার্মান ট্যাংকারেও আক্রমণ করল হিটলার বুঝতে পারলো যে মিত্ররা কি করতে যাচ্ছে তাই তিনি দ্রুত তার লোহার সরবরাহ সংরক্ষণ করতে যান তিনি ডেনমার্ক হয়ে নরওয়েতে আক্রমণ করলেন মিত্ররা স্থলবাহিনীকে দ্রুত উপকূল বরাবর কুয়ে বন্দরে নিয়ে যায় কিন্তু জার্মানি নরওয়ের বিমানঘাঁটি গুলোর কর্তৃত্ব নিয়ে নেয় এবং তাদের বিমান বাহিনীরা যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নিল মিত্রদের পিছিয়ে আসতে হয় এই অল্প লজ্জাজনক ব্যর্থতার পর চ্যাম্বারলেইন পদত্যাগ করেন এবং উইন্সটন চার্চহিল তার পদে নিযুক্ত হন যার জার্মানদের সাথে আপোষ করার কিছুটা অন্যরকম পন্থা ছিল হিটলারের মোট কৌশলটা জার্মানির প্রথম বিশ্বযুদ্ধের কৌশলের মতোই ছিল ফ্রান্সে আক্রমণ, ফ্রান্সকে হারানো, যুক্তরাজ্যকে এর মধ্যে ফেলায় দেওয়া অতঃপর সোভিয়েত ইউনিয়নের দিকে ফিরা আর যুদ্ধ জিতে যাওয়া ফোনি যুদ্ধের সময় মিত্ররা হিটলারকে তার বাহিনী শক্তিশালী করে তোলার পর্যাপ্ত সময় দিয়েছিল এখন সে আক্রমণের জন্য প্রস্তুত মিত্ররা বেলজিয়ামে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে চেয়েছিল কিন্তু বেলজিয়াম তা প্রত্যাখ্যান করে আর একটা পদক্ষেপ যা কাউকেই বেশি বিস্মিত করেনি হিটলার ফ্রান্সের প্রতিরক্ষা এড়ানোর জন্য একটি অভিযান চালায়
10:52
মিত্ররা দ্রুত গতিতে বেলজিয়ামে ঢুকে পড়ল জার্মানদের সাথে সরাসরি সাক্ষাৎ করতে আর এটা দেখে মনে হচ্ছিল যে, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছিল কিন্তু এবারে হিটলারের এক বুদ্ধি ছিল ব্লিটজক্রাইগ (হঠাৎ অভিযান) জার্মানরা অগ্ৰসর হচ্ছিল আর শরনার্থীদেরকে পশ্চিমে পাঠায় দিচ্ছিল যা মিত্রদের ধীর করে দিচ্ছিল অতঃপর দক্ষিণে ফ্রেঞ্চরা আরদেনস্ ত্যাগ করে একটা স্থান যা পাহাড় আর বনে পূর্ণ আর প্রতিরোধহীন কারণ তারা মনে করেছিল এটা প্রাকৃতিকভাবে দুর্ভেদ্য তবে জার্মানরা সর্বস্ব দিয়ে তা ভেদ করতে চাচ্ছিল তারা ৫০টি ওয়েরমাহট ডিভিশন পাঠায় এবং মিত্র বাহিনীকে বিদ্যুৎ গতিতে ঘেরাও করে ফেলে মিত্রদের সর্বোত্তম বাহিনী এখন আবদ্ধ জার্মানরা সব পাশ থেকে চাপ দেয় ফ্রান্সের সবচাইতে ভালো বাহিনীকেও ধ্বংস করে দেয় ব্রিটিশদেরও প্রায় শেষ করে ফেলে কিন্তু তারা শেষমুহূর্তে ডাংকির্কে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় এমনকি ব্রিটিশ বেসামরিক জাহাজ ও বিপদজনক যাত্রা করে শুধুমাত্র তাদের তরুণদেরকে ঘরে আনার জন্য ফ্রেঞ্চ বাহিনী প্রায় ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় জার্মানরা বাতাসের মতো অগ্ৰসর হতে লাগলো প্যারিস দখলের পর ফ্রান্সের পতন হলো যা জার্মানরা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে করতে পারেনি তা হিটলার এভাবেই সম্পন্ন করল হিটলার আশা করেছিল ফ্রান্সের পতনের পর যুক্তরাজ্য অবশ্যই আশা হারিয়ে ফেলবে এবং শান্তিচুক্তির আলোচনা করবে কিন্তু বেশ বিরক্তিকরভাবে এটি হয়নি আর তার পশ্চিমের ফ্রন্টকে সংরক্ষণ করতে হলো তাই তিনি তাদের হার মানায় বাধ্য করার চেষ্টা করলেন মনোস্তাত্বিক খেলার দ্বারা যুক্তরাজ্য এখন সম্পূর্ণ একা এবং হিটলার এর উপর গুরুত্ব দিতে চাচ্ছিল
11:55
সর্বপ্রথম ফ্রান্সের ঠিক পতনের আগে ইটালী শেষপর্যন্ত মিত্রদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে যা যুক্তরাজ্যের অবস্থা আরো খারাপ করে দেয় তারপর ফ্রান্স পুরো দখলের পরিবর্তে হিটলার প্রতিরক্ষার জন্য উপকূলীয় অঞ্চল দখল করে নেয় কিন্তু ফ্রান্সকে জার্মানির করদরাজ্য হিসেবে থাকতে দেয় এভাবে এটা এমন দেখালো যে যুক্তরাজ্যের পুরোনো বন্ধু পক্ষ পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে হিটলার আরো আশা করেছিল যে, যুক্তরাজ্য তার পূর্বের বন্ধুর নৌ-ঘাটি ও আফ্রিকার কলোনিতে আক্রমণ করবেনা যা হিটলারকে দক্ষিণে একটা অতিরিক্ত প্রতিরোধের লাইন বানায়ে দেয় কিন্তু যুক্তরাজ্য এর প্রতিউত্তর দিল ফ্রান্সের আলজেরিয়ার নৌ-ঘাটিতে গিয়ে বহু জাহাজ ধ্বংস করার মাধ্যমে তো এখন নাও !! হিটলার তারপর ব্রিটেন আক্রমণ করার পরিকল্পনা করতে আরম্ভ করে জার্মান সেনারা ব্রিটিশ ভূমিতে নামার আগে তার প্রথম প্রয়োজন ছিল চ্যানেলের উপর আকাশের ও নৌ শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা জার্মান বোমারু বিমান আগমন করল অন্যদিকে পুরো সংখ্যালঘু আরএএফ সাহসিকতার সাথে বিরতিহীন ভাবে কাজ করলো জার্মান আক্রমণকে দমনের একটা প্রচেষ্টা চালায় প্রথমে লুফটওয়াফি ব্রিটিশ বন্দর ও উপকূলীয় কারখানায় টার্গেট করে তারপর আরএএফ ঘাঁটিতে হামলা চালায় যাতে আরএএফের জাতিকে রক্ষা করার ক্ষমতা ভঙ্গুর হয়ে যায় এবং এতে মনে হচ্ছিল যে, হিটলারের গ্ৰেট ব্রিটেনের আক্রমণ আসলেই হয়ে যাচ্ছিল কিন্তু চার্চহিল ছোট একটি অনুল্লেখযোগ্য বোমারু বিমান হামলা চালায় বার্লিনের ওপর এটা বেশি ক্ষতি করেনি কিন্তু হিটলার অত্যন্ত রাগান্বিত হয় এবং লুফটওয়াফিকে অনতিবিলম্বে লন্ডনে বেসামরিক
12:55
টার্গেটের উপর আক্রমণ জোরদার করতে নির্দেশ দেন বাচ্চাদের তাদের পিতা-মাতার কাছ থেকে বিপদ এড়াতে গ্ৰাম এলাকায় পাঠিয়ে দেয়া হয় আর প্রায়ই বিমান হামলায় শেল্টারে যাওয়া প্রতিদিনের কাজের মতো হয়ে উঠল কিন্তু ব্রিটিশ মনোবল শক্ত হয়ে টিকে ছিল হাসা, বোনা, এমনি আরাম করা এসব মানুষের স্টিলের মতো ছিল এই লন্ডনে আক্রমণ জোরদার করা আরএএফকে পুনর্গঠিত হবার ব্যবস্থা করে দেয় তাই হিটলার কেমন জানি তার পায়ে গুলি করল এখনের জন্য শুধু পায়ে !!! অবশেষে লুফটওয়াফি রা লন্ডনে একটা বিশাল আক্রমণ চালালো এবং আরএএফ তা সফলভাবে প্রতিহত করে বহু জার্মান বিমান ধ্বংস করে ও আকাশের শ্রেষ্ঠত্ব ব্রিটিশদের হাতে বসিয়ে দেয় হিটলারের আক্রমণ বিলম্বিত করা হয় কিন্তু ব্রিটিশ শহরের উপর হামলা আরো কিছু সময় ধরে চলে নোমান কর্তৃক অনুবাদ করা হয়েছে

DOWNLOAD SUBTITLES: